পোস্টগুলি

Helo করোনা

ছবি
 আমি আর তুমি আর  আছে শুধু ফোন আর  ফেসবুক হল সঙ্গী।  যত ভাবি দুরে যাব ফোন থেকে দুরে রব  জড়িয়ে পড়েছি তত কাঁঠালের আঠার মত। টিভি এখন পুরোনো হয়েছে আড্ডা হয়েছে ব্যাকডেট মোবাইল এখন হাতের মুঠোয় আমরা হয়েছি আপডেট। সবাই এখন সবজান্তা সবাই এখন ব্যাস্ত  জীবন টা তো অনলাইন ভাই অফলাইন হল সেকেলে। শিক্ষা এখন অনলাইনে স্কুল হয়েছে বন্ধ  বাচ্চাগুলো করেনা এখন   কলরব আর দ্বন্দ্ব। করোনা এসে সঙ্গ নিল দিল চরম শিক্ষা সারা জীবন সঙ্গী হল  পেলাম নতুন দীক্ষা।

আজব শখ👴

ছবি
  আজব শখ👴 দাদু -   সব নাতি নাতনিরে খবর দাও,আমি আবার ছাদনাতলা যাব।🙄 দিদা- তোমার ভিমরতি হয়েছে নাকি? দাদু- কেন?  ভিমরতি  হইবো কেন্। বিদেশে 94 বছর বয়সেও বিয়ে হচ্ছে। আমি করলেই ভিমরতি?😎😎 দিদা- আমাকে বৃন্দাবন পাঠানোর ব্যাবস্থা কর। আমি বৃন্দাবন যাব। দাদু- আমার কথাই শেষ কথা,বিয়ে আমি করবই। দিদা- পাত্রী কে শুনি? দাদু- তোমারে বলবো কেন্? আমি-   ওহ্ তোমরা চুপ করবে ,  প্লিজ 👿 কিছুক্ষণ পর দাদু-  কই গো -----চা দেবে না----। দিদা-   দিচ্ছি  দিচ্ছি  এই বুড়ো বয়সে আমি ছাড়া তোমার সেবা করবে কে শুনি? দাদু- (চা খেতে খেতে) গিন্নি-------বাজার দর একটু খতিয়ে দেখছিলাম আর কি। দিদা-  তোমার বাজার দর তলানিতে ঠেকেছে, বুঝলে।👵 দাদু-চলো--- দিদা-  কোথায়? দাদু-  ছাদনাতলা(হাহাহা)👴👵 👴 সোমা গাঙ্গুলী

পাশে আছি

ছবি
  পাশে আছি 😇🥀 আমি ঋষা,কলেজে পড়াই।অনলাইন সাইটে বিয়ের জন্য বিজ্ঞাপন দিয়েছি।প্রাই প্রতিদিনই পাত্রপক্ষ আমাদের বাড়িতে পাত্রী দেখতে আসে। প্রাথমিক আলাপ চারিতা পর্ব শেষ হলে,ইতিউতি  কথার পর সকল পাত্রপক্ষই এক ই কথা বলে, "মেয়ের রং কালো"। ছোট বেলা থেকেই শুনে আসছি,আমার রং কালো,আমার কি করে বিয়ে হবে।ইত্যাদি ইত্যাদি।পড়শি কাকিমাদের বলতে শুনেছি"খুব গুণের মেয়ে,মুখখানা ভারিমিস্টি ", শুধু গায়ের রঙ  টাই যা কালো"।🙄 আমার কিন্তু আমার রঙ নিয়ে কোনও মাথাব্যথা নেই। আমার বিয়ে হল আর না হল তাতে আমার কিচ্ছু যাই আসে না।আমি আমাকে নিয়ে খুব খুশি। 🥰 যাইহোক কোনও এক বৈশাখী  সন্ধ্যায় আমার বিয়ের ঠিক হল।পাত্রপক্ষ দেখে,শুনে আমায় পছন্দ করেছে। বিয়ের পর দিন শ্বশুরবাড়ি এলাম। শাশুড়িমা সকলের সঙ্গে আমাকে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন। তারই মধ্যে  একজন কাকিমা অন্য এক ভদ্রমহিলা কে বলছেন "নতুন বৌমার রঙ কালো---- শেষ পর্যন্ত কালো বউ বিয়ে করে আনলে " ।তাদের কথাবার্তা আমাকে নতুন করে কোনও আঘাত করেনি।এসব কথা শুনে তো আমি অভ্যস্ত ছিলাম। 😇 আমার স্বামী,যার সঙ্গে আমার তখন ভালোকরে আলাপ  ও হয়নি,উনি হঠাৎ ...

রোজগেরে বৌমা💁‍♀️

ছবি
আমি অনেক স্বপ্ন 🥰 নিয়ে আমার শ্বশুরবাড়ি এসেছিলাম। বিয়ের কয়েক মাস পরেই  আমি একটি স্কুলে চাকরির  দরখাস্ত  করি। চাকরি  করব এটা  আমার বরাবরের একটা স্বপ্ন ছিল। বিয়ের আগে পূর্ণ হয় নি,  তাই  শ্বশুরবাড়ি এসে চাকরির চেষ্টা করি। চাকরির কথা শুনেই আমার শাশুড়ি মা এককথায় নাকচ করে দেয়, "ঘরের বউ চাকরি করলে চলে, সংসারের কাজ কে সামলাবে? চাকরি করতে হবে না " ইত্যাদি নানান কথা! 😔 আমি  তো হতবাক হয়ে গেলাম। মনের কষ্ট মনেই চেপে  রেখে  দিলাম। রাতের বেলা রোজ বিছানায় শুয়ে কাঁদতাম😪। স্বামী কে মনের কথা বলতাম কিন্তু "অপ্রয়োজনীয়  কথা" বলে উনি বিশেষ পাত্তা  দিতেন না। বাচ্চা যখন  ছোট ছিল তখন বাচ্চার দেখভালের অজুহাত দেখিয়ে আমাকে চাকরি করার কোন সুযোগ দেওয়া হয় নি। মেয়ে যখন বড় হলো, তখন আমি ঘরেই  টিউশন করতে  শুরু করি📚📖। টিউশন করার জন্য অবশ্য শাশুড়ি-মার কোন  আপত্তি  ছিল না। উনি বরং খুশি-ই হতেন। নিজে বিশেষ  লেখাপড়া জানতেন না বলে আফসোস করতেন। তাই আমি ওনাকে  লিখতে, বই  পড়তে শিখিয়ে দেব এই আশ্বাস দি। দুপুর বেলায় স...

উরো চিঠি 💌

ছবি
আজ আলমারি পরিস্কার  করতে গিয়ে একটা পুরোনো চিঠি পেলাম, মায়ের লেখা।খাম, পোস্টকার্ড এগুলো তো এখন দেখা যায় না,তাই হঠাৎ করে পেয়ে মনটা আনন্দে  ভরে উঠল। কেমন যেন নস্টালজিক হয়ে পড়লাম। কত পুরোনো স্মৃতি...কত কথা মনে পড়ল! চিঠিটা আমি বেশ কয়েকবার পড়লাম, হাতবোলাতে বোলাতে মায়ের সুবাস পেলাম, হাতের ছোঁয়া পেলাম। আমি খুব যত্ন  করে চিঠিটা তুলে রেখেছি।  বিয়ের পর এই চিঠি ই তো মা কে আমার কাছ থেকে দুরে সরায় নি, বরং চিঠির মাধ্যমেই আমি মার আরও কাছে এসেছি। সুখ দুঃখের কথা ,মনের কথা অনায়াসে আমি ভাগ করে নিয়েছি। ই-মেল,হোটাসঅ্যাপ, ইন্টারনেটের যুগে বিজয়ার  প্রণাম, বিজয়ার শুভেচ্ছা আমিও মাকে পাঠায়। তাতে মনের  খোরাক মেটে না। দুধের সাধ ঘোলে মেটাই এই যা। খাম ,পোস্টকার্ড মারফত  চিঠিপত্রে মনের ভাব প্রকাশ হলে দুটো মনের দুরত্ব কমে মনের শান্তি আসে...মন রিল্যাক্সড হয়! মা কে ফোন করে বললাম , " তোমার হাতের লেখা চিঠির  সুবাস পেতে তুমি আবার  চিঠি লেখ "। লুপ্তপ্রায় চিঠি-শিল্প  কে বাঁচিয়ে রাখো!

গ্রীষ্মের ছুটি

ছবি
 গ্রীষ্মের ছুটি স্কুলের গরমের ছুটি পড়তো  মে মাসের তৃতীয় সপ্তাহে। গরম পড়লেই আমরা স্কুলের ছুটির অপেক্ষায় থাকতাম কারণ একটাই,মামাবাড়ি যাওয়া!!!! গরমের ছুটিতে মামাবাড়ি যাওয়ার মজাই আলাদা।যেই না স্কুল ছুটি হল আমরা মামাবাড়ি  চলে আসতাম।খুব মজা হত।লেখাপড়ার ঝামেলা নেই, শুধু টি ভি তে কার্টুন দেখো ,সারাদিন টো টো করে ঘুরে বেড়াও কেউ কিছুটি বলবে না। মামাতো  মাসতুতো ভাই বোন মিলিয়ে চারজন একসাথে জুটি বাঁধতাম ।যখন ছোট ছিলাম তখন দিদার রান্নাঘর থেকে নুন হলুদ নিয়ে খেলনাবাটি খেলতাম।দুপুর বেলা সবাই যখন বিশ্রাম নিত আমরা ভাই বোনেরা মিলে বয়াম থেকে লুকিয়ে আচার বার করে খেতাম। বাগানের পেয়ারা গাছে চেপে বসে থাকতাম। আম গাছে একটি আম ও পাকার জন্য রাখতাম না ।আম পেড়ে সেগুলো হামাম দস্তা তে ছেঁচে আগে থেকে চুরি করে রাখা নুন লঙকা মেখে ভাগ করে খেতাম। কতবার ধরা পড়ে বকুনিও খেয়েছি।কাঁচা আম ছেঁচকি খেয়ে পেটে ব্যথা হলে মামাদের আদরমাখা বকুনিও খেয়েছি। একটু বিকেল হলেই আইসক্রিম ওয়ালার টুং  টুং শব্দে ছুটে গিয়ে কাঠি দেওয়া চুড়া আইসক্রিম, মালাই আইসক্রিম  খেয়েছি। সবাই মিলে হই হই করে গরমের ছু...

চৈএ সেল

ছবি
  ব্যাগ ভর্তি চৈত্র সেল বাজার করে সবে বাড়ি ফিরেছি। বাজারে ফ্রির ঠেলায় এক  পা ও চলা দায়।🚶এতভিড় যে মনে হচ্ছে সব কিছুই ফ্রি। গিন্নি তো চৈএ সেলে পুজোর শাড়িও কিনেফেলেছে।🥰 সেল,সেল,সেল একটি শাড়ির সঙ্গে আর একটি শাড়ি ফ্রি গলির  রাস্তায়  টোটা করে মাইকিং চলছে। সুযোগ হাতছাড়া করবেন না। গিন্নি পাশের বাড়ির বৌদির সঙ্গে দুপুর বেলা চৈত্র সেলের বাজারে গেছে।  আজ ওর সেলের দ্বিতীয় দিনের বাজার🙄 ঘরের কাপ ডিস থেকে আরম্ভ করে গামছা সবেতেই নাকি সেল চলছে।😳 সেলের ঠেলায় ঠেলাঠেলি  করতে গিয়ে কখন যে ফোন টা পড়ে গেছে তা কারোরই খেয়াল নেই।😔 ঘরে এসে ফেসবুক গসিপ করতে গিয়ে ফোনের খোঁজ পড়েছে। বাজারে ভিড়ে প্রাণ যাই যাক,তবুও ফোন যেন না যাই। 📱 ভাগ্যিস  বৌদি  ফোন টা দেখতে পেয়ে কুড়িয়ে রেখেছিল। ফোন না পেলে চৈএ সেলের আনন্দটা যে পুরোটাই  মাটি হত।😍ওহ্  চৈত্র সেলের কি বাজার, পুজোর বাজারের থেকেও বেশি ভিড়।🥳🥳🥳🥳 *বছর বছর  ঘুরে আসুক  চৈত্র ভরা সেল। নববর্ষ ভালো কাটুক এটাই করি মেল*❤❤❤❤❤                     ...