মাখানা লাড্ডু মাখানা লাড্ডু-খাওয়ার যেমন উপকার আছে তেমনি খেতেও খুব সুস্বাদু ।আর বানানো খুবই সহজ। মাখানা লাড্ডুর সামগ্রি 1- মাখানা(250g) 2- 2 টেবিল স্পুন গাওয়া ঘি। 3- (50g) মাওয়া। 4 - 50g কিসমিস। 5- 50g খেজুর জলে ভিজিয়ে মিক্সিতে বাঁটা। বানানোর পদ্ধতি-‐ প্রথমে কড়াই গরম করে মাখানা রোস্ট করে নিন।মাখানা ঠান্ডা হলে মিক্সিতে গুরো করে নিন। এবার গরম কড়াইতে ঘি দিয়ে কিসমিস ,এলাচ গুরো দিয়ে ভেজে মাওয়া দিন।প্রয়োজন হলে একচামচ দুধ দিতে পারেন।মিক্সিতে বেঁটে রাখা খেজুর দিয়ে ভালো করে মিশিয়ে মাখানা গুরো মেশান। চিনি বা গুড় মেশানোর দরকার নেই। গ্যাস বন্ধ করে ঠান্ডা হলে এক এক করে মাখানা লাড্ডু গড়ে নিন। এটি বেশ কিছুদিন রাখা যায় , তৈরি হয়ে গেল মাখানা লাড্ডু- সোমা গাঙ্গুলী
পোস্টগুলি
তিল খেজুর
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
তিল খেজুর শীতের সময় তিল খেজুরের মিশ্রণে বানানো নাড়ু খাওয়ার উপকারিতা অনেক। তিল শরীরকে গরম রাখে এবং তিল খেলে হাড় মজবুত হয়।খেজুরে আছে আয়রন, ফাইবার, জিঙ্ক। তাই শীতকালে তিলের নাড়ু মন ভরে খাওয়া যায়। * তিল খেজুর বানানোর পদ্ধতি সাদা তিল-250g খেজুর-12/14টি এক চামচ গাওয়া ঘি। প্রথমে কড়াই গরম হলে সাদা তিল একটু সেঁকে নিন।হালকা বাদামী রঙ হলেই নামিয়ে নিন। ঠাণ্ডা হলে মিক্সিতে ঘুরিয়ে নিন।তিলগুলো আধপেসা মত হবে।খেজুর জলে ভিজিয়ে রাখবেন।জলে ভিজানো থাকলে সহজেই খেজুরের বিচ বের হয়ে যাবে।এবার খেজুরগুলো মিক্সিতে ঘুরিয়ে নিন।খুব শুকনো হয়েগেলে খেজুরের সাথে একটু দুধ মিশিয়ে পেস্ট করুন। তিল গুড়ো,খেজুরের পেস্ট একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে হাতে ঘি লাগিয়ে নাড়ু গড়ে নিন।সুস্বাদু তিল খেজুর নাড়ু তৈরী। সোমা গাঙ্গুলী
সবজি ছিলা
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
সবজি ছিলা চটজলদি হেলদি ছিলা যেমন খেতে সুস্বাদু তেমনই বানানো খুবই সহজ।ঘরে থাকা সাধারণ উপাদান দিয়ে বানিয়ে নেওয়া যায় সুস্বাদু সবজি ছিলা। সামগ্রি (পরিমাণ মত)---- বিনস (greated) গাজর (greated) ক্যাপসিকাম কুচোনো পেঁয়াজ কুচোনো কাঁচা লঙ্কা কুচোনো সুজি (2 table spoon) বেসন (2 table spoon) দই (2 table spoon) আটা ( 2 table spoon ) বানানোর পদ্ধতি -- সব উপাদান গুলো একটা বড় পাত্রে একসাথে মিশিয়ে পরিমাণ মত জল দিতে হবে। স্বাদ মত নুন,এক চামচ সাদা তেল ও ধনেপাতা কুচি দিয়ে ভালকরে নাড়াচাড়া করে মিশিয়ে 15 মিনিট ঢেকে রাখতে হবে। মিশ্রণটি ঘন হবে না আবার জলজলেও হবে না । 15 মিনিট পর তাওয়া গরম হলে সামান্য তেল ছড়িয়ে হাতাতে করে ঢেলে গোল আকারে পাতলা করে এপিঠ ওপিঠ ভালো করে ভেজে নিতে হবে। ধনে পুদিনার চাটনি সহযোগে গরম গরম পরিবেশন করুন সবজি ছিলা। সোমা গাঙ্গুলী
একগোছা রজনীগন্ধা
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
একগোছা রজনীগন্ধা সেদিন সকালটা ছিল ভারি মিষ্টি।ডোর বেল বাজতেই খুলে দেখি একগোছা রজনীগন্ধা হাতে নিয়ে আমার স্বামী দাঁড়িয়ে ।বিয়ের প্রথম বছরের বিবাহ - বার্ষিকীর দিনটা এভাবেই শুরু হয়েছিল। রজনীগন্ধার মন মাতানো গন্ধ সেই মুহূর্তটিকে আমার জীবনে এক বিশেষ বার্তা নিয়ে এসেছিল।রজনীগন্ধার সুবাস আমার নেশাতুর মনকে নাড়িয়ে দিয়েছিল। -রজনীগন্ধা আমার প্রথম প্রেম, প্রথম যৌবনের হাতছানি,আমার প্রথম ভালোবাসা! -রেস্টুরেন্টে ডেটিংর জন্য একজনের অপেক্ষায় বসে আছি। কিছুক্ষন পর একটি সুন্দর চেহারার যুবক একগুচ্ছ রজনীগন্ধা ফুল নিয়ে এসে আমার সামনে হাজির । সেদিন প্রেমিক আর রজনীগন্ধার মোহময়ী রুপ ও মনমাতানো সুগন্ধে দুটি মনকে নিবিড় বন্ধনে আবদ্ধ করেছিল। শুভ্র বসনা আদুরে আহ্লাদি রজনীগন্ধার সুবাস পেলে আমার আবেগপ্রবন মন নস্টালজিক হয়ে পড়ে। প্রথম প্রেমের শিহরণ জাগানো অনুভূতি রজনীগন্ধার সুগন্ধের মধ্যেই খুঁজে পাই । তাই তো রজনীগন্ধা ফুল আমার খুব প্রিয়। বসন্তময় রজনীগন্ধা তোমার প্রেমে আজই ; ঘর বেঁধেছি ভালোবেসে ওগো নিশি প্রেমী, সুবাস ছড়াও...
অভিজ্ঞতা
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
অভিজ্ঞতা আমরা সবাই খুব একা । আমরা নিজের ! নিজের! করে এত যে আগলে ধরে রাখার চেষ্টা করি এ সব কিছুই বৃথা চেষ্টা মাএ।বাবা, মা, ভাই, বোন ,স্বামী, সন্তান কেউ- ই আমার নিজের নয়। কিছু সময়ের জন্য শুধু একসাথে পথ চলা।পথ শেষ হয়ে এলে বেলা শেষে সবাই একা! আসলে কেউ কারো জন্য নয়।তোমার ভেতরের অনুভূতিগুলো ,না বলা কথাগুলো, তোমার দুঃখ, কষ্ট সব বুকের মধ্যেই দলা পাকিয়ে যে গুলো ঘুরতে থাকে; সে গুলো তোমাকেই হজম করতে হবে। হাসিমুখে হজম করতে হবে- আদতে কেউই কারোর নয়।তুমিই শুধু তোমার। মানুষ বড় স্বার্থপর প্রাণী। স্বার্থ ফুরিয়ে গেলে কে কার ? কে আমার? সংসারের পুতুল খেলা শেষ হয়ে গেলে খালি হাতে যে যার মত করে পৃথিবী ছেড়ে চলে যাওয়া। আমার আমার করে বড্ড বেশি আঁকড়ে ধরে লাভ নেই , ছাড়তেও শিখতে হয়। সোমা গাঙ্গুলী
হ্যালো মিলি---
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
হ্যালো মিলি--- তুমি আসবে বলেই হয়ত আজ একটু তাড়াতাড়ি ঘুম থেকে উঠে পড়েছি।সকাল টা যে এত সুন্দর না দেখলে জানতেই পারতাম না! মিলির জীবনে আজ বিশেষ দিন। তাই মিলির উৎসাহের শেষ নেই। ফাইনালি ; ফাইনালি!!! তার স্বপ্নের রাজকুমার আজ তার সাথে দেখা করতে আসছে। এতদিন ফোনে প্রেমালাপ হয়েছে, কিন্ত কেউ কাউকে দেখেনি। আজ দুজন দুজনকে দেখবে; চিনবে। সকাল বেলা মিলি উঠে তাই শরীর চর্চায় ব্যাস্ত। কখনও মুখে ফেসিয়াল করছে; তো কখনও চুলের স্টাইল পাল্টাচ্ছে- আফটার অল ওকে সুন্দরী লাগতে হবে তো- ফুলের বুখে নিয়ে মিলি এয়ারপোর্ট যাবে স্বাগত জানাতে।প্রথম দেখাতে সে হাই হেলো বলবে নাকি শুধু ফুলের বুখে দিয়ে স্বাগত জানাবে নাকি ওকে হাগ্ করবে তা ভেবে পারছে না। সহজ সরল একটা মিষ্টি ফুলের মত মেয়ে মিলির আজ ভারি আনন্দের দিন। এই সুন্দর মুহূর্ত গুলোকে মিলি তার মনের ক্যানভাসে ধরে রাখতে চাই। অবশেষে সেই মাহিন্দ্রক্ষন এল। মিলি ওতি উৎসাহে হাই হেলো বলে স্বাগত জানালো আর ওর সুন্দর ফুলের বুখেটা নিজের হাতেই থেকে গেলো। বেচারা মিলি সোমা গাঙ্গুলী
মহালয়া
- লিঙ্ক পান
- X
- ইমেল
- অন্যান্য অ্যাপ
মহালয়া মহালয়া বলতেই চোখের সামনে রেডিওর কথা পড়ে।আর মনে পড়ে সন্ধ্যে থেকেই ফটকার দুমদাম আওয়াজ এবং অবশ্যই মহালয়ার রাতে রেডিও বিছানার পাশে রেখে নিশ্চিন্ত ঘুমোতে যাওয়া। মহালয়ার পুণ্য তিথিতে কাকভোরে উঠে বীরেন্দ্র কৃষ্ণ ভদ্রের কন্ঠে মহিষাসুরমর্দিনি শুনতে শুনতেই আবার ঘুমিয়ে পড়া। সকাল বেলা উঠোনময় ছড়িয়ে থাকা শিউলি ফুল কুড়ানো।কাশ্ বনে ছুটে গিয়ে কাশ্ ফুলের রেণু ছড়ানো। বাঙালির কাছে মহালয়া মানেই রেডিওতে চণ্ডীপাঠ শোনা ; তারপরে টি ভি তে মহালয়া দেখা। সকালে গঙ্গার ঘাটে ঘাটে তর্পন, পূর্ব পুরুষদের স্মৃতির উদ্দেশ্যে জলদান এগুলোর মধ্য দিয়েই পিতৃপক্ষের শেষ ও দেবী পক্ষ শুরু । বছরভর অপেক্ষার পর মহালয়ার দিন থেকেই দেবী পক্ষের সুচনা আর তারপরেই মা দুর্গার পুজো শুরু হয়ে যায়। মহালয়া থেকেই আপামর বাঙালি আবেগের জোয়ারে ভাসতে থাকে। সোমা গাঙুলী